বিশ্বসেরা ধনীদের তালিকায় নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করলেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। গত বছর প্রথমবারের মতো বিলিয়নিয়ার ক্লাবে নাম লেখানোর পর সম্প্রতি প্রকাশিত ‘হুরুন গ্লোবাল রিচ লিস্ট ২০২৬’-এ নতুন ভারতীয় হিসেবে নাম উঠেছে তার।
বর্তমানে ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১০,৮০০ কোটি রুপি) নিট সম্পদ নিয়ে তিনি ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতার মর্যাদা লাভ করেছেন।৫ মার্চ প্রকাশিত হুরুন গ্লোবাল রিচ লিস্টে শাহরুখ খানের অন্তর্ভুক্তিকে তারকাদের সম্পদের ক্ষেত্রে একটি ‘অবিস্মরণীয় মুহূর্ত’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
এই তালিকায় শাহরুখের পাশাপাশি রয়েছেন মিউজিক লিজেন্ড জে-জি (২.৮ বিলিয়ন ডলার), টেলর সুইফট (১.৬ বিলিয়ন ডলার) এবং রিয়ানা (১.৫ বিলিয়ন ডলার)। তালিকায় বিনোদন জগতের ধনীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন জর্জ লুকাস (৭.৬ বিলিয়ন ডলার)।
যদিও ২০২৫ সালের তুলনায় শাহরুখের সম্পদের পরিমাণ কিছুটা কমেছে (গত বছর ছিল ১.৪ বিলিয়ন ডলার), তবুও ভারতের ৫৭ জন নতুন ধনীর মধ্যে তার নাম এখনো জ্বলজ্বল করছে।
তবে শাহরুখের এই বিশাল সাম্রাজ্য কেবল অভিনয়ের ওপর দাঁড়িয়ে নেই। অভিনেতার আয়ের বড় একটি অংশ আসে তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট থেকে। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত তার এই প্রোডাকশন হাউসটি বর্তমানে ভারতের অন্যতম সফল প্রতিষ্ঠান।
আইপিএল-এর দল কলকাতা নাইট রাইডার্স তার আয়ের আরেকটি বড় উৎস। আইপিএলের অন্যতম জনপ্রিয় এবং লাভজনক এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সহ-মালিকানায় আছেন তিনি। এর বাইরে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন ক্রিকেট লিগে তার দলগুলোর ব্যবসায়িক সাফল্য শাহরুখকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন ব্র্যান্ড এন্ডোর্সমেন্ট থেকে প্রাপ্ত বিশাল অংকের অর্থ তার সম্পদের ভাণ্ডারকে প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করছে। দীর্ঘ তিন দশকের ক্যারিয়ারে তিনি নিজেকে কেবল অভিনেতা হিসেবেই নয়, বরং একটি বৈশ্বিক ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
এদিকে টানা তিনটি ব্লকবাস্টার হিট দেওয়ার পর মাঝখানে তিন বছরের বিরতি ভেঙে শাহরুখ ফিরছেন ‘কিং’ সিনেমা দিয়ে। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত এই সিনেমাটি শাহরুখ ভক্তদের জন্য দ্বিগুণ স্পেশাল, কারণ এর মাধ্যমেই বড় পর্দায় অভিষেক হতে যাচ্ছে তার মেয়ে সুহানা খানের।
২০২৬ সালের বড়দিনে মুক্তি পেতে যাওয়া এই সিনেমায় আরও থাকছেন দীপিকা পাড়ুকোন, রানি মুখার্জি, অভিষেক বচ্চন এবং অনিল কাপুরের মতো একঝাঁক তারকা।
সকাল নিউজ/এসএফ



