আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে ভোলার চারটি সংসদীয় আসনে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জামাদী।
এর মধ্যে রয়েছে স্বচ্ছ ব্যালট বক্স, অমোচনীয় কালি, দলীয় ভোটের জন্য সাদা ব্যালট পেপার ও গণ ভোটের জন্য গোলাপি ব্যালট পেপারসহ ভোটার তালিকা।
আজ বুধবার ( ১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রতিটি উপজেলার সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও আনসার সদস্যদের নিকট নির্বাচনী সরঞ্জামাদী হস্তান্তর করা হয়।
জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় ৫২৫ টি ভোট কেন্দ্রের ৩ হাজার ৬২২ টি কক্ষে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে ১৩১টি ভোট কেন্দ্রকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে জেলা প্রশাসন। যার মধ্যে, ৪৩ টি কেন্দ্র দুর্গম চরাঞ্চলের। বুধবার সকাল থেকে এসব কেন্দ্র গুলোতে কঠোর নিরাপত্তার মাধ্যমে ব্যালট বাক্সসহ অন্যান্য নির্বাচনী সরঞ্জামাদী পাঠানো হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ভোলা-১ আসনের ১১৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ২২টি। ভোলা-২ আসনে ১৩৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩২টি ঝুঁকিপূর্ণ। ভোলা-৩ আসনে ১১৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫০টি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ভোলা-৪ আসনে ১৫৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ২৭টি। জেলার তজুমদ্দিন উপজেলার ৩৬টি কেন্দ্রের সবগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ ছাড়া দুর্গম চরাঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ভোলা-১ আসনে ১২টি, ভোলা-২ আসনে ২টি, ভোলা-৩ আসনে ১৭টি ও ভোলা-৪ আসনে ১২টি।
এ ছাড়াও দুর্গম চরাঞ্চলের ঝুঁকিপূর্ন কেন্দ্র গুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা জোরদারে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশের বিশেষ নজরদারি রয়েছে। এসব অঞ্চলের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য দ্রুতগামী নৌযানের পাশাপাশি হেলিকপ্টারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
এদিকে রাত পোহালেই শুরু হবে ভোট গ্রহণ। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন উপহার দিতে জেলায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স, পুলিশের মোবাইল টিম, নৌবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, কোস্টগার্ডসহ বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়ন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতেও রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ড্রোন নজরদারিসহ বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
সকাল নিউজ/এসএফ


