নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার হলফনামায় তথ্য গরমিল থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেছেন বগুড়া জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিলের পাশাপাশি বাতিল হয়েছে জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি ও জেলা সভাপতি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহর মনোনয়নপত্রও।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বগুড়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার তৌফিকুর রহমান মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, হলফনামার এফিডেভিটে একইদিনে আইনজীবী ও প্রার্থীর সই থাকতে হয়। কিন্তু মান্না যেদিন সই করেছেন, আইনজীবী তার একদিন আগেই সই করেছেন। মান্না যেসব মামলায় খালাস পাওয়ার কথা লিখেছেন, সেগুলোর কাগজপত্র দেননি। আর সম্পদের যে বিবরণী দিয়েছেন, তাতে ত্রুটি আছে।
এছাড়া জাতীয় পার্টির শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ হলফনামায় সম্পদের বিবরণীর ফরম দাখিল করেননি। এ অসংগতির কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
এর আগে মান্নার নাম ঋণ খেলাপির তালিকায় থাকায় তার ভোটের পথ আটকেছিল। ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) ঋণ খেলাপির তালিকা থেকে নাম কাটানোর জন্য তিনি হাই কোর্টে আবেদন করলে তা খারিজ হয়ে যায়।
সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হলে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক গত রোববার হাই কোর্টের আদেশ স্থগিত করে দেন। সেই সঙ্গে সিআইবির তালিকায় মান্নার নামও স্থগিত করা হয়। ফলে ঋণ সংক্রান্ত জটিলতায় তার নির্বাচন করার জটিলতা কেটে যায়। তবে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে যে হলফনামা দাখিল করেন মান্না, তাতে গরমিল ও নথি সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে ডাকসুর সাবেক এ ভিপির ভোটের পথ ফের আটকাল।
সকাল নিউজ/এসএফ


