বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ৩০ আগস্ট। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ। এশিয়া কাপের আগে এই সিরিজকে তাই প্রস্তুতির বড় মঞ্চ হিসেবেই দেখছেন অধিনায়ক লিটন দাস।
সিরিজ শুরুর আগে সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে লিটন দাস জানিয়েছেন, সিলেটের উইকেট ব্যাটার-বোলার উভয়ের জন্যই আদর্শ। তার মতে, এখানকার কন্ডিশন অনেকটা আবুধাবির মতোই হতে পারে, যেখানে অনুষ্ঠিত হবে এবারের এশিয়া কাপ। তাই সিলেট সিরিজকে বলা যায়, একধরনের প্রস্তুতি ব্যাটল।
লিটন বলেন, ‘ব্যাটার-বোলারদের জন্য আদর্শ উইকেট। এখানকার (সিলেট) মতো কন্ডিশন আবুধাবিতেও পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আমাদের খেলোয়াড়রা জানে, এখানে কেমন উইকেট থাকে। চেষ্টা করবো ম্যাচের কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে ভালো ফল আনতে। ২০০-২৫০ রান করা অভ্যাসের বিষয়। না পারলেও ধারাবাহিকতার কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা থাকবে।’
প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডসকে হালকাভাবে নিতে নারাজ লিটন দাস। তার ভাষায়, ‘তারা ভালো উইকেটে খেলতে অভ্যস্ত। দুই দলের জন্যই চ্যালেঞ্জ থাকবে। আমাদের মূল লক্ষ্য জেতা, তবে এশিয়া কাপের আগে কিছু নতুন খেলোয়াড়কে পরীক্ষা করার সুযোগও নিতে চাই।’
ঢাকায় ফিটনেস ট্রেনিং ক্যাম্পের পর সিলেটে মাঠে নেমেছেন লাল-সবুজরা। ঢাকায় ব্রিটিশ কোচ জুলিয়ান উডের অধীনে বিশেষ ‘পাওয়ার হিটিং’ সেশনে অংশ নিয়েছেন তারা। লিটন মনে করেন, আধুনিক ক্রিকেটে ফিটনেস ও পাওয়ার হিটিং দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।
আজকের ক্রিকেটে ফিটনেস ভীষণ জরুরি। ঢাকার ফিটনেস ট্রেনিংটা কাজে লাগবে। পাওয়ার হিটিং ক্লাসে নতুন কিছু শিখেছি, তবে এগুলো এক-দুই দিনে সম্ভব নয়। সবাই চেষ্টা করছে নিজস্ব খেলার ধরণে নতুন কিছু যোগ করতে।
সিরিজের আগে অবশ্য ছোটখাটো অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। সিলেটে লাল-সবুজ দলে ভাগ হয়ে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে নেমে ফিল্ডিংয়ের সময় বাঁ-হাতি ওপেনার পারভেজ ইমন ইনজুরিতে পড়েন। তবে তার ইনজুরির বিস্তারিত এখনো দলের হাতে আসেনি বলে জানান লিটন। ম্যানেজমেন্ট বা ফিজিওর পক্ষ থেকে এখনো কোনো বার্তা আসেনি।
নেদারল্যান্ডস সিরিজটা তাই শুধু জয়-পরাজয়ের লড়াই নয়, এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সম্ভাবনারও পূর্বাভাস। লিটন দাস ও তার সতীর্থরা জানেন, এই সিরিজের প্রতিটি ম্যাচই হতে পারে আসল পরীক্ষার আগে ট্রায়াল রান।
সকাল নিউজ/এসএফ


