টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১ম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। আজ (বুধবার, ৪ মার্চ) কলকাতার ইডেন গার্ডেনে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায়।
চলতি আসরসহ চতুর্থবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে মাঠে নামছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০০৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে প্রোটিয়ারা হারে পাকিস্তানের কাছে। এরপর ২০১৪ আসরের সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হয়ে ৬ উইকেটে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় তাদের।
২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমির বাধা পেরোলেও আবারও ফাইনালে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারত। আসরের একমাত্র অপরাজিত দল দক্ষিণ আফ্রিকা। স্বাগতিক ও শিরোপাধারী ভারতকে হারানোসহ সাত ম্যাচের সবকটিই জিতে রীতিমতো উড়ছে এইডেন মার্করামের দল।
অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের যাত্রাটা ছিল চ্যালেঞ্জিং। গ্রুপ পর্বে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তারা পাত্তাই পায়নি। সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে সেমিফাইনালে খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তাদের। পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করে শেষ পর্যন্ত সেমির টিকেট পায় কিউইরা।
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক স্যান্টনার বলেন, ‘এই পর্যায়ে কাউকে এগিয়ে রাখার সুযোগ নেই। দক্ষিণ আফ্রিকা খুবই ভালো দল, যেমনটা তারা দেখিয়েছে। তবে আমার মনে হয়, এখন তারা আমাদের মতো একই অবস্থানে আছে। এখন ফাইনাল পর্যন্ত একটা ম্যাচ বাকি, ভারত ও ইংল্যান্ডের জন্যও বিষয়টা একই (বৃহস্পতিবার ওয়াংখেড়েতে দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে)।’
টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মুখোমুখি লড়াইয়ে ১২-৭ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে নিউজিল্যান্ড। বিশ্বকাপে এই দুই দলের আগের পাঁচবারের দেখায় সবকটি জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। স্যান্টনার মেনে নিচ্ছেন তার দলকে ‘আন্ডারডগ’ বলা হয়। তবে লড়াইটা যেহেতু নকআউট পর্বের, তাই যেকোনো কিছুই হতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
তিনি বলেন, আমরা এখন এই তকমায় অভ্যস্ত। আপনি এটাকে আন্ডারডগ বলবেন কি বলবেন না, সেটাই আসল বিষয়। আমার মতে, টুর্নামেন্ট জুড়ে সবারই লক্ষ্য থাকে (শিরোপার) মঞ্চে পৌঁছানো। আমরা এখন এখানে আছি এবং আমাদের সামনে যা আছে তার সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। এই পর্যায়ে এটা কেবলই একটা নকআউট ম্যাচ, যারা ভালো করবে, তারাই জিতবে।
সকাল নিউজ/এসএফ


