রাজধানীর কাকরাইলে আজ সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টি কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতা নুরুল হক নুরের হুঁশিয়ারিতে।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত পৌনে ৮টায় নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি ঘোষণা দেন- ‘জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে গ্রেপ্তার না করা হলে সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচি দেওয়া হবে ‘
তার এমন ঘোষণার কয়েক মুহূর্ত আগেই ঘটে যায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা। জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে রাজধানীর ব্যস্ততম কাকরাইল এলাকা মুহূর্তেই অস্থির হয়ে ওঠে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে, যদিও সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি।
ঘটনার সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষই একে অপরের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে। জাপার নেতা-কর্মীদের দাবি, মিছিল নিয়ে হঠাৎ করেই হামলা চালায় গণঅধিকার পরিষদ। অন্যদিকে নুরুল হক নুরের দলের অভিযোগ, তারা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু জাপার কর্মীরাই প্রথমে ইট-পাটকেল ছুড়ে উসকানি দেয়।
সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মাঠে নামে। পাশাপাশি সেনা মোতায়েন করা হয় কাকরাইল এলাকায়। তবে সেনাবাহিনী নামানোর পরও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কাটেনি। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে এমন সংঘর্ষে পথচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকেন।
সংঘর্ষের উত্তাপ থামার আগেই নুরুল হক নুরের সচিবালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা যেন নতুন করে অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে। একদিকে জাপা, অন্যদিকে গণঅধিকার পরিষদ-পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ভেতর দিয়ে রাত নেমে আসলেও জনসাধারণের মধ্যে শংকা বিরাজ করছে।
সকাল নিউজ/এসএফ


