যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতিহাসের ‘সবচেয়ে ভয়ংকর’ প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং অন্যান্য জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তাদের হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া ইরানের ‘দায়িত্ব ও বৈধ অধিকার’।
এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এই ঐতিহাসিক অপরাধের পরিকল্পনাকারী ও বাস্তবায়নকারীদের বিরুদ্ধে বিচার চাওয়া এবং প্রতিশোধ নেওয়াকে নিজেদের দায়িত্ব ও বৈধ অধিকার হিসেবে বিবেচনা করে। এই মহান দায়িত্ব পালনে আমরা সর্বশক্তি নিয়োজিত করব।’
প্রেসিডেন্ট বলেন, নিহত নেতাদের প্রতি জাতির পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানানো হচ্ছে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় ইরান দৃঢ় অবস্থানে থাকবে। এই হত্যাকাণ্ড মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে যুদ্ধঘোষণা বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
ইরানের পাল্টা আঘাতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও হতাহতের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি ইসরাইল। এবার ধীরে ধীরে খবরের শিরোনাম হচ্ছে ইসরাইলিদের নিহতের সংখ্যা।
আজ রোববার (১ মার্চ) প্রথমে ইসরাইলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) জানায়, ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলায় ইসরাইলের দুই নাগরিক নিহত হয়েছে। এ ছাড়া স্বাস্থ্য বিভাগের বরাতে আরো ৮৫ জনের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকার কথা জানানো হয়েছে। নিহতের সংখ্যা প্রকাশ শুরু হতেই লাফি লাফিয়ে বাড়ছে সংখ্যার পরিমান। জেরুজালেমের পশ্চিমে একটি শহরে ইরানি হামলার পর এখন পর্যন্ত আটজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। ইসরাইলের জাতীয় জরুরি সেবা সংস্থা জানায়, একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র মধ্য ইসরাইলের বেইত শেমেশ শহরের একটি ভবনে আঘাত হেনেছে।
সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ১০জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া আহতের সংখ্যা সাড়ে ৪০০ ছাড়িয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত ৮৫জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তথ্যসূত্র: মিডলইস্ট আই।
সকাল নিউজ/এসএফ


