বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন দেশের অন্যতম প্রবীণতম রাজনৈতিক নেতা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি কুমিল্লা-১ দাউদকান্দি-মেঘনা সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন।
তাকে নতুন রাষ্ট্রপতি করার বিষয়ে দলে যেমনি রয়েছে আলোচনা তেমনি রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্ব মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে। এদিকে সিনিয়র এই নেতাকে রাষ্ট্রপতি করা নিয়ে জেলার সর্বত্রই আলোচনা চলছে। তবে কি সত্যিই তিনি রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন?
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে শপথ নেন বিএনপি থেকে জয়ী প্রার্থীরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান।
সকালে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহন করলেও বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভা পরিষদের তালিকায় তিনি না থাকায় আলোচনাটি আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হতে যাওয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির বর্ষীয়ান সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সবচেয়ে জোরালোভাবে বিবেচনায় রয়েছে। তাছাড়া নিজ নির্বাচনি এলাকা দাউদকান্দি-মেঘনা এলাকার বাসিন্দাদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। রাষ্ট্রপতি পদে মোশাররফ অধিষ্ঠিত হবেন এমন প্রত্যাশায় রয়েছেন এলাকার লোকজন। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা চলছে।
এদিকে রাষ্ট্রপতি পদের দৌড়ে এগিয়ে থাকা ৭৯ বছরের ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুমিল্লা-১ আসন থেকে পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক এই অধ্যাপক ইতোপূর্বে জ্বালানি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ ছাড়া মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পূর্বে দলীয় জনসভায় সরাসরি ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল যে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন এবং খন্দকার মোশাররফ রাষ্ট্রপতি হবেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি রাজনৈতিক প্রচারের আড়ালে থেকেছেন যাতে বিতর্ক এড়িয়ে পদটির জন্য মনোনয়নের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
শাসনকর্তাদের এই পদক্ষেপ এবং রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পরিবর্তন দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ভারসাম্য এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের দিকেও প্রভাব ফেলতে পারে। নতুন রাষ্ট্রপতি পদ গ্রহণ করলে সরকার গঠন, নীতিনির্ধারণ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব পড়বে।
সকাল নিউজ/এসএফ



