একটা ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটানো দরকার জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, ‘নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দায়িত্ব পালন করলেও আমি বর্তমান অন্তবর্তী সরকারের অংশ ছিলাম না।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের একটা অগ্রাধিকার এবং জনগণের দাবির মুখে আমরা আমাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সহায়তা করার চেষ্টা করেছি। সরকারের অংশ হিসেবে কাজ করিনি।’
আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘অঙ্গীকার থেকে বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তি ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে বদিউল আলম মজুমদার এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘কোনো কোনো সময় এমন একটা ধারণা সৃষ্টি করা হয় যে, আমি যেন সরকারের অংশ ছিলাম। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের দায়িত্ব পাওয়ার কথা একজন সাংবাদিক আমাকে ফোন করে জানান। এর আগে আমার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার কথাও হয়নি। আমি সরকারের অংশও ছিলাম না। দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে আমার কোনোরকম মতামতও নেওয়া হয়নি।’
বদিউল আলম মজুমদার জানান, তিনি এবং কমিশনের বাকি আটজন মিলে কয়েক মাস কাজ করে রিপোর্ট ও সুপারিশ পেশ করেছেন। সরকারের সঙ্গে তার এটুকুই সম্পৃক্ততা ছিল। এর জন্য তিনি কোনো সম্মানীও নেননি। ঐকমত্য কমিশনে তিনি সুজন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন। কমিশন গঠনের ব্যাপারে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না।
সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) আয়োজনে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিজিএসের সভাপতি জিল্লুর রহমান।
বদিউল আলম মজুমদারের বক্তব্যের পর তাকে উদ্দেশ করে জিল্লুর রহমান বলেন, ‘উনি নিজের সম্পর্কে অনেক কৈফিয়ত দিয়েছেন। আমরা একটা কথা জানি, সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎসঙ্গে সর্বনাশ।বোধহয় সেই কারণে কৈফিয়তটা উনাকে দিতে হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আরেকটা বিষয় হচ্ছে যে, আপনি যত সুন্দর পোশাকই পরেন না কেন, গায়ের মধ্যে যত পারফিউমই (সুগন্ধি) আপনি মাখেন না কেন, কর্দমাক্ত রাস্তায় যখন হাঁটবেন কাদা কিছু লাগবেই।’
সকাল নিউজ/এসএফ


