একাত্তরে যারা সনাতন ধর্মালম্বীদের নির্যাতন করেছিল, তারাই আবার নবরুপে ফিরে এসে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘তাদের হাতে এদেশের সকল নাগরিক নিরাপদ কি না দেশবাসীর কাছে আমার প্রশ্ন থাকলো।’
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে তার নির্বাচনী এলাকা পেকুয়া সদরের বিশ্বাস পাড়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি ধর্মভিত্তিক দলের হাতে এদেশের সনাতন ধর্মালম্বী ভাইবোনদের সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হতে হয়েছিল, ত্যাগ শিকার করতে হয়েছিল, যা সনাতন ধর্মালম্বী ভাইবোনদের পূর্ব পুরুষেরা জানেন। যারাই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি কিংবা স্বাধীনতা চায়নি, তারাই সনাতনী ভাইবোনদের এমন নির্যাতন করেছিল।’
বিএনপির এ শীর্ষ নেতা বলেন, ‘এদেশের সকল ধর্মের মানুষ বিএনপি আমলে নিরাপদ ছিল। আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশের সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি এদেশের সকল মানুষকে নিয়ে যারাই এই ভূখণ্ডে বসবাস করেন তাদের সকলকে বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। আমরাও কোনো ধরনের জাতি বিভক্তি, ধর্মীয় বিভক্তি কিংবা বর্ণ বিভক্তি চাই না, আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশি হিসেবে বসবাস করতে চাই।’
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন- পেকুয়া উপজেলা বিশ্বাস পাড়া পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক চন্দময় বিশ্বাস তিলকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদীদ মুকুট, বিশ্বাস পাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের সভাপতি শিমুল বিশ্বাস।
এ ছাড়াও ছিলেন উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক রমেশ বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুমন বিশ্বাস, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অংতোয়াইচিং রাখাইন, বারবাকিয়া লোকনাথ মন্দিরের পরিচালনা কমিটির সভাপতি রিপন কান্তি নাথ, বারবাকিয়া সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরের সভাপতি পরিতোষ নাথ, শিলখালী বিষ্ণু মন্দিরের সভাপতি মাস্টার অনিল কান্তি শিলসহ অন্যরা।
সকাল নিউজ/এসএফ

