আবারও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে। জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম আলোচিত মুখ ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ৩৫ মিনিটের দিকে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে পুলিশের ব্যারিকেট ভেঙে এ আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা।
প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানান, ওসমান হাদির মারা যাওয়ার খবরে বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা রাত রাত ১২টা ৩৫ মিনিটের দিকে ধানমন্ডি-৩২ এর পুলিশের ব্যরিকেড ভেঙে শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে। প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ লোকজন ভেতরে ঢুকে। এসময় পোশাক পরিহিত পুলিশ সদস্যরা সবাই নিরাপদ দুরত্বে সরে যায়।
এদিকে, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে যেকোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে গুলশানস্থ ভারতীয় দূতাবাসের কড়া নিরাপত্তায় অতিরিক্ত ৯০ জন পুলিশসহ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ভারতীয় দূতাবাসের সামনে ভাটারা থানা সংলগ্ন রাস্তায় টায়ার জালিয়ে হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন ছাত্র জনতা।
এদিন, রাত সাড়ে ৯টার পর ওসমান হাদির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এবং ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজ থেকে হাদির মারা যাওয়ার খবর জানানো হয়। ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ভারতীয় আধিপত্যবাদের মোকাবিলায় মহান বিপ্লবী ওসমান হাদিকে আল্লাহ শহিদ হিসেবে কবুল করেছেন।
এর আগে, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচার শেষে রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে গত সোমবার সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। আর আজ তিনি মারা গেলেন। তবে এই ঘটনায় প্রধান আসামি ফয়সালকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃংখলা বাহিনী।
সকাল নিউজ/এসএফ

