ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। আজ রোববার (১ মার্চ) করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের সামনে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে এধি রেসকিউ সার্ভিস। এ ছাড়া এ বিক্ষোভে আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডনকে পুলিশ সার্জন ডা. সুমাইয়া সৈয়দ বলেন, ছয়টি মৃতদেহ করাচির সিভিল হাসপাতাল (সিএইচকে) তে আনা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে এধি জানায়, তাদের অ্যাম্বুলেন্স মৃতদেহ এবং বেশ কয়েকজন আহতকে সিএইচকেতে নিয়ে গেছে।
এর আগে বিক্ষোভকারীরা করাচির মার্কিন দূতাবাসে ঢোকার চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করলে বেশ কয়েকজন আহত হন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার ভেরিফাই করা ভিডিওতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা মার্কিন দূতাবাসের জানালা ভেঙে ফেলেছেন এবং কিছু অংশে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু করা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইরানি গণমাধ্যম নিশ্চিত করেছে, এ হামলায় মারা গেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। রোববার (১ মার্চ) দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম ও ফার্স নিউজ এজেন্সি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
খামেনির মৃত্যুতে সাত দিনের সরকারি ছুটি ও ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। তথ্যসূত্র: আল জাজিরার।
সকাল নিউজ/এসএফ


