প্রখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে যুবদল নেতা পরিচয়ে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে তার হাসপাতালে যান যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতারা।
শুক্রবার গভীর রাতে ইউরোলজি হাসপাতালে গিয়ে অধ্যাপক কামরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ অন্য নেতারা।
এ সময় তারা জানান, এ ঘটনায় জড়িত মো. মঈন উদ্দিন মঈনসহ চাঁদাবাজ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে বলেও আশ্বাস দেন তারা।
বিএনপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামলীতে অবস্থিত ডা. কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় ডা. কামরুল ইসলাম কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে অধ্যাপক কামরুল ইসলাম বলেন, “৫ আগস্টের পর শ্যামলীর চার নম্বর রোডের বাসিন্দা মঈন নামে এক ব্যক্তি হাসপাতালের খাবার সরবরাহের ঠিকাদারি নেয়। কিন্তু অতিরিক্ত মূল্য দাবি করায় তাকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর সে কয়েকজনকে নিয়ে এসে হাসপাতালের স্টাফদের সঙ্গে অসদাচরণ করে এবং টাকা দাবি করে।”
এ সময় যুবদল সভাপতি মুন্না জানতে চান, ওই ব্যক্তি নিজেকে যুবদল নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন কি না।

