রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে গণপরিবহন চলাচল তুলনামূলক কম। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পদচারণাও সীমিত সংখ্যক। বেশিরভাগ বাসেই যাত্রী সংখ্যা হাতেগোনা।
নেই চিরচেনা যানজট। সকাল থেকেই সড়কে ব্যক্তিগত গাড়িও খুব একটা দেখা যায়নি। বিশেষ করে নগরীর মতিঝিল, নয়াপল্টন, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, মালিবাগ, বাংলামোটর, কারওয়ানবাজার, ধানমন্ডি মিরপুর এবং উত্তরাসহ বেশ কয়েকটি সড়কে যানবাহনের সংখ্যা অনেকটাই সীমিত দেখা গেছে।
তবে নিউমার্কেট খোলা থাকায় মার্কেটের সামনের সড়কে কিছু গাড়ির জটলা দেখা গেছে। পাশাপাশি অধিকাংশ সড়কে মোটরসাইকেল, রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অধিপত্য দেখা গেছে।
সড়কে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, যানবাহনে আগুন ও বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যক্তিগত গাড়ি কম বের হয়েছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি ঘিরে পুরো রাজধানী জুড়েই সতর্ক অবস্থায় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সকাল থেকে বেশ কিছু এলাকায় র্যাব–পুলিশ–বিজিবির টহল দেখা গেছে। তল্লাশি করা হচ্ছে পথচারীদের। এ ছাড়া বিএনপি ও জামায়াতের কর্মীদেরও মাঠে অবস্থান নিতে দেখা গেছে। নগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকলেও উপস্থিতির হার কম।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার তারিখ আজ বৃহস্পতিবার নির্ধারণ হওয়ার কথা ছিল।
যে কারণে এ দিনেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ‘লকডাউন’ কর্মসূচি ডেকেছে। এ কর্মসূচিকে ঘিরে গত তিনদিন রাজধানীসহ কয়েকটি জেলায় যানবাহনে অগ্নিসংযোগ, পেট্রল বোমা, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএসসির সামনের সড়কে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। রাতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে কারওয়ান বাজার সার্ক ফোয়ারা মোড়েও।
কাছাকাছি সময়ে তেজগাঁও রেলস্টেশনে একটি পরিত্যক্ত বগিতে আগুন দেয়া হয়। সন্ধ্যায় দোলাইরপাড় মোড়ে অগ্নিসংযোগ করা হয় একটি বাসে। গত কয়েকদিনে এমন বেশ কয়েকটি ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক তীব্র হয়েছে।
সকাল নিউজ/এসএফ

