সদ্যপ্রয়াত লোকসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীনের প্রতি সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে। রোববার দুপুর ১২টার দিকে তাকে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ প্রিয় এই শিল্পীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ফরিদা পারভীনের মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে নেওয়া হবে। বাদ যোহর সেখানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ কুষ্টিয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। শিল্পীর ইচ্ছানুসারে সেখানকার পৌর কবরস্থানে মা–বাবার কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিল্পীর ছেলে ইমাম নাহিল সুমন। তিনি জানান, ‘মাকে আমরা কুষ্টিয়ায় দাফন করব, তার ইচ্ছা অনুযায়ী।’
কিংবদন্তি শিল্পী ফরিদা পারভীন ১৯৫৪ সালে ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৮ সালে ১৪ বছর বয়সে তার পেশাদার সংগীতজীবন শুরু হয়। এরপর গানে গানে তিনি কাটিয়েছেন ৫৫ বছর।
লালনের গানের বাণী ও সুরকে জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে ফরিদা পারভীনের অবদান সর্বজনস্বীকৃত। শুরুতে নজরুলসংগীত, পরে আধুনিক গান দিয়ে ফরিদা পারভীনের যাত্রা শুরু হলেও জীবনের বেশির ভাগ সময় কেটেছে লালন সাঁইয়ের গান গেয়ে।
‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’ কিংবা ‘বাড়ির কাছে আরশিনগর’ এর মতো লালন সাঁইয়ের জনপ্রিয় গান তার কণ্ঠে মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। শ্রোতারা ভালোবাসে তাকে ‘লালনকন্যা’ উপাধি দিয়েছিলেন।
সকাল নিউজ/এসএফ

