রক্তক্ষয়ী জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ঘটনাবহুল সময় পেরিয়ে সারা দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ।
নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয়েছে বহুল প্রতিক্ষিত এ নির্বাচন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেন সারাদেশের মানুষ। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। ১৪
সন্ধ্যার পর থেকে সারা দেশের ভোট কেন্দ্রগুলোতে বিরামহীন গণনার মধ্য দিয়ে বেসরকারিভাবে একের পর এক প্রকাশ হতে থাকে প্রাপ্ত ভোটের ফলাফল। ভোট অনুষ্ঠিত হওয়া দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৩টা পর্যন্ত ২৮৭টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পেয়েছে ২০৪টি আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৪টি আসন, তারই জোটভূক্ত জাতীয় নাগরিক পার্টি পেয়েছে ৫টি আসন এবং সতন্ত্র ও অন্যান্য ১৩টি আসন।
এ ছাড়াও গণভোটের ফলাফলে এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ‘হ্যাঁ’ ভোট: ৬৯৩৪৭ (৭৭.৭%) এবং ‘না’ ভোট: ১৯৯৪৫ (২২.৩%)।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুতে ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত থাকায় (১২ ফেব্রুয়ারি) ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন।
এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন এবং নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন। ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে মোট ৫০টি রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৭৫৫ জন দলীয় এবং ২৭৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সকাল নিউজ/এসএফ

