পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় চাষাবাদের ট্রাক্টরের নিচে পড়ে অন্তর চন্দ্র বর্মন (১২) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার চন্দনবাড়ি ইউনিয়নের নতুনহাট বটতলি গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল করেছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক।
এদিকে, ঘটনার পর পরই ট্রাক্টরের চালক আল আমিন (২৮) ট্রাক্টর নিয়ে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে। নিহত অন্তরের বাড়ি চন্দনবাড়ি ইউনিয়নের নতুনহাট বটতলি গ্রামে। সে ওই গ্রামের খিরেন্দ্রনাথ বর্মনের ছেলে। অন্তর চন্দ্র বর্মন বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে বোদা উপজেলার চন্দনবাড়ি ইউনিয়নের নতুনহাট বটতলি ভোটাপাড়া গ্রামে তুলেশ চন্দ্র রায়ের জমিতে ট্রাক্টর দিয়ে হাল চাষ করছিলেন আল আমিন। এসময় আত্মীয় অনিককে সাথে নিয়ে ট্রাক্টরে চড়ে নিজেদের জমিতে হাল চাষ দেখছিল অন্তর। এক পর্যায়ে ট্রাক্টর বাঁক নেওয়ার সময় অন্তর ছিটকে ট্রাক্টরের নিচে পড়ে যায়। মুহুর্তেই ট্রাক্টরের ফালে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। পরে অনিককে এ ঘটনা না জানাতে চাপ দেয় চালক আল আমিন এমনই দাবি করছে পরিবারের সদস্যরা।
নিহত অন্তরের বড় আব্বা নিতেন চন্দ্র বর্মন বলেন, ‘আমার ভাতিজা মারা যাবার পরে তাকে মাটি চাপা দিতে চেয়েছিল চালক আল আমিন। এ ছাড়া অনিককে চাপ প্রয়োগ করা হয় কাউকে কিছু না জানাতে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই ‘
বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক ট্রাক্টরের নিচে চাপা পড়ে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই ট্রাক্টর চালক পালিয়ে গেছেন। তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ বা মামলা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
সকাল নিউজ/এমআর


