লালমনিরহাটের পাটগ্রামে জামায়াতের ২১ কর্মী ও সমর্থক হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাটগ্রাম উপজেলা শাখা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন এবং পরবর্তী দুই দিন ধরে এসব কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সাবেক জেলা আমির আতাউর রহমান বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়নি। অনেক এলাকায় ভোট চলাকালীন সময়ে জামায়াতের কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের বাধা দেওয়া হয়েছে। ন্যায়বিচার পেতে আমাদের আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার প্রস্তুতি চলছে।’
তিনি অভিযোগ করেন, শ্রীরামপুর ও জগতবেড় ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে লাঠি, ছোরা ও বল্লম নিয়ে সন্ত্রাসীরা অবস্থান নেয়। জগতবেড় ইউনিয়নের একটি ভোটকেন্দ্রের পাশে পুলিশের সামনে এক জামায়াত কর্মীকে মারধর করা হয়। বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের লোকজনকে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
ভোটের পর বিভিন্ন এলাকায় হুমকি, হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন, যাদের কেউ কেউ রংপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পাশাপাশি বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও ভাঙচুর চালানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে হামলার শিকার ব্যক্তিদের নাম উল্লেখ করে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়।
এ সময় উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শোয়াইব আহমেদ, সেক্রেটারি মনোয়ার হোসেন লিটনসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সকাল নিউজ/এসএফ

