নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী ও সহায়ক কর্মচারীরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দ্রুত দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান। দাবি মেনে না নেওয়া হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন। বাংলাদেশে সরকারি কর্মচারীদের দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের আয়োজনে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের আহ্বানে এই কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কর্মচারীরা অবিলম্বে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানান।
সমাবেশে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী মো. ফারুক বলেন, ‘কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছে। পে স্কেলের কথা উঠলেই নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। ঢাকায় স্বল্প বেতনে পরিবার নিয়ে থাকা, বাসাভাড়া, সন্তানদের শিক্ষাব্যয় ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চাপ সামলানো দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।’
বিক্ষোভ সমাবেশে সহায়ক কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. আবু সাইদ বলেন, ‘বাংলাদেশে কোনো বৈষম্য যেন না থাকে, এ জন্য আপনাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের যত কর্মচারী আছে, কর্মকর্তা আছে, বিভিন্ন পর্যায়ে যারা আছেন তাদের কথা চিন্তা করে আপনি আমাদের এই পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন করবেন বলে আমরা আশা করি।’
তিনি বলেন, ‘যদি এটা বাস্তবায়ন করেন, বাংলাদেশের যারা এই পে স্কেলের সুবিধা পাবে, আজীবন তারা মনে রাখবে। শুধু তারাই না, তাদের ফ্যামিলির যারা থাকবে, প্রত্যেকেই আজীবন আপনার এই পে স্কেলের কথা স্মরণ রাখবে।’
কর্মচারী সমিতির আহ্বায়ক মো. আব্দুল জলিল বলেন, ‘কর্মচারীরা একত্রে একাত্মতা ঘোষণা করে যোগ দেন। একজন শিক্ষকের সব খরচ বহন করে কত কষ্ট করে জীবনযাপন করে তা সবাই জানে। আমাদের আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি নবম পে স্কেলের দাবি বাস্তবায়নের কর্মসূচিতে সব কর্মচারীকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাই। আমাদের পে স্কেল নিয়ে যারা টালবাহানা করছেন, তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলতে চাই, সারা দেশের কর্মচারীদের পেটে যদি লাথি মারতে চান- আপনারা শান্তিতে ঘুমাতে পারবেন না।’
সকাল নিউজ/এসএফ

